শিরোনাম :
নদী ও পরিবেশ রক্ষায় নরসিংদীতে ১০১ সদস্যের ‘নদী বাঁচাও আন্দোলন’ কমিটির আত্মপ্রকাশ পুলিশ-বিএনপি নেতাদের উপস্থিতিতে ধর্ষণ ঘটনায় সালিশ ॥ ক্ষোভে কিশোরীর গলায় ফাঁস দেশব্যাপী ধর্ষণের ঘটনায় সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের উদ্বেগ : দ্রুত বিচার ও আইন সংস্কারের দাবি। নরসিংদীতে বিএনপির প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত নরসিংদীতে সদর প্রেসক্লাবের বৈশাখী পুনর্মিলন সাংবাদিকদের প্রধান দায়িত্ব সত্য উদঘাটন করা : জেলা প্রশাসক,নরসিংদী। নরসিংদীতে সফলভাবে সম্পন্ন হলো জিরো অলিম্পিয়াড ক্যাম্পেইন বানিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমানের মৃত্যু : চেতনা পরিবারের শোক নরসিংদীতে রোগীর সাথে চিকিৎসকের অশালীন আচরণের প্রতিবাদ জানিয়েছেন নারী নির্যাতন প্রতিরোধ ফোরাম বদলী আদেশে তোলপাড় নরসিংদী জেলা প্রশাসন
শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ০৩:১৭ অপরাহ্ন

নদী ও পরিবেশ রক্ষায় নরসিংদীতে ১০১ সদস্যের ‘নদী বাঁচাও আন্দোলন’ কমিটির আত্মপ্রকাশ

স্টাফ রিপোর্টার / ৬ বার
আপডেট : শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬

11

নদী বাঁচাও, দেশ বাঁচাও—এই প্রত্যয় নিয়ে পরিবেশ রক্ষা এবং নদীর স্বাভাবিক গতিধারা বজায় রাখার লক্ষ্যে নরসিংদীতে ১০১ সদস্য বিশিষ্ট ‘নদী বাঁচাও আন্দোলন’ এর আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। নদী দূষণ রোধ, কলকারখানার কেমিক্যালযুক্ত রঙিন পানি ও বর্জ্য নিষ্কাশন বন্ধ এবং সার্বিক পরিবেশ বিপর্যয় ঠেকাতে জেলার নদী তীরবর্তী অঞ্চলের মানুষের সাথে একাধিক বৈঠক ও সেমিনারের পর সর্বসম্মতিক্রমে এই কমিটি ঘোষণা করা হয়।
​প্রাথমিকভাবে ৫ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক আহ্বায়ক কমিটি প্রকাশ করা হয়েছে। সংগঠনের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বিস্তারিতভাবে তুলে ধরতে শিগগিরই একটি বড় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে বলে কমিটির নেতৃবৃন্দ জানিয়েছেন।
​ঘোষিত আংশিক আহ্বায়ক কমিটি:
​আহ্বায়ক: বিশিষ্ট শিল্পপতি ও দানবীর আতাউর রহমান মিঠু ,​সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক: বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম
​সদস্য সচিব: সাংবাদিক, লেখক ও মানবাধিকার কর্মী মাসুদ রানা বাবুল
​সদস্য (কোষাধ্যক্ষ, দপ্তর ও সমাজসেবা): সাবেক মেম্বার, সম্পাদক ও প্রকাশক কামাল হোসেন
​সদস্য (প্রচার, প্রকাশনা, সংস্কৃতি ও খেলাধুলা): বিশিষ্ট সাংবাদিক ও মেঘনার সন্তান মাইনুদ্দিন সরকার
​নদী দূষণের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি ও কমিটির আগামী দিনের কর্মসূচি:
​নদী ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এই আহ্বায়ক কমিটি মূলত একটি ‘প্রতিরোধ ও সচেতনতা মঞ্চ’ হিসেবে কাজ করবে। কমিটির পক্ষ থেকে আগামী দিনের করণীয় ও এজেন্ডা হিসেবে নিম্নলিখিত কার্যক্রমের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে :
​তৃণমূল পর্যায়ে প্রতিরোধ:
যেখানেই নদী দূষণ ও অবৈধ দখলদারিত্ব দেখা যাবে, সেখানেই স্থানীয় জনগণকে সাথে নিয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।
​সচেতনতা ও আন্দোলন:
নিয়মিত সভা-সেমিনার, সচেতনতামূলক র‍্যালি, মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিলের মাধ্যমে জনমত গঠন করা হবে।
​প্রশাসনিক তৎপরতা: নদী ও পরিবেশ দূষণকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে স্মারকলিপি প্রদান ও সার্বিক প্রতিকারের চাপ সৃষ্টি করা হবে।
​আইনি পদক্ষেপ:
নদী রক্ষায় প্রয়োজন হলে মহামান্য হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়েরসহ কঠোর আইনি লড়াই পরিচালনা করা হবে।
​কমিটির নেতৃবৃন্দ হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, “নদী আমাদের জীবন ও জীবিকার প্রধান উৎস। কলকারখানার বিষাক্ত বর্জ্য দিয়ে নদী ধ্বংসের এই মহোৎসব আর চলতে দেওয়া হবে না। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এই কমিটি মাঠ পর্যায় থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ আদালত পর্যন্ত যেকোনো ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত।”

Facebook Comments Box


এ জাতীয় আরো সংবাদ