শিরোনাম :
নদী ও পরিবেশ রক্ষায় নরসিংদীতে ১০১ সদস্যের ‘নদী বাঁচাও আন্দোলন’ কমিটির আত্মপ্রকাশ পুলিশ-বিএনপি নেতাদের উপস্থিতিতে ধর্ষণ ঘটনায় সালিশ ॥ ক্ষোভে কিশোরীর গলায় ফাঁস দেশব্যাপী ধর্ষণের ঘটনায় সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের উদ্বেগ : দ্রুত বিচার ও আইন সংস্কারের দাবি। নরসিংদীতে বিএনপির প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত নরসিংদীতে সদর প্রেসক্লাবের বৈশাখী পুনর্মিলন সাংবাদিকদের প্রধান দায়িত্ব সত্য উদঘাটন করা : জেলা প্রশাসক,নরসিংদী। নরসিংদীতে সফলভাবে সম্পন্ন হলো জিরো অলিম্পিয়াড ক্যাম্পেইন বানিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমানের মৃত্যু : চেতনা পরিবারের শোক নরসিংদীতে রোগীর সাথে চিকিৎসকের অশালীন আচরণের প্রতিবাদ জানিয়েছেন নারী নির্যাতন প্রতিরোধ ফোরাম বদলী আদেশে তোলপাড় নরসিংদী জেলা প্রশাসন
রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ০৩:১১ পূর্বাহ্ন

লাগামহীন নিত্যপণ্যের দাম,দিশেহারা মধ্যবিত্ত

আশিকুর রহমান / ১১৩৮ বার
আপডেট : শুক্রবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

522

নরসিংদীর বাজারগুলোতে নিত্যপ্রয়োজনীয় কোনো পণ্যেরই দাম কমছে না। লাগামহীন নিত্যপণ্যের দামের কারণে দিশেহারা নিম্ন আয়ের থেকে শুরু করে মধবিত্ত পরিবার। সবজির দাম থেকে শুরু করে স্বস্তি দিচ্ছে না পেঁয়াজ, আলু, ডিম ও চাল। মাসখানেক ধরে চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় এসব পণ্য।
শুক্রবার নরসিংদীর বড়বাজার, ব্রাহ্মন্দী পুরাতন বাঁশবাজারসহ পাইকারি ও খুচরা বাজার ঘুরে এবং ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে। সরেজমিন দেখা গেছে, টমেটো ১২০-১৪০ টাকা, পেঁপে ৩০ টাকা, কাঁচা মরিচ ১৪০-১৬০ টাকা, গাজর প্রকারভেদে ১২০-১৫০ টাকা, বেগুন ৮০ টাকা, গোলবেগুন ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। করলা ৬০ টাকা, বরবটি ৭০ টাকা, ঢেঁড়শ, চিচিঙ্গা, পটল, ধুন্দল, বিক্রি হচ্ছে ৪০-৫০ টাকায়, লাউ ৮০-১০০ টাকা, শিম ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া লেবুর হালি প্রকারভেদে ৩০-৮০ টাকা, ধনে পাতার কেজি ১৬০ টাকা, কলার হালি ৪০ টাকা, মিষ্টি কুমড়ার কেজি ৪০ থেকে ৫০ টাকা, লাল শাক ১৫ টাকা আঁটি, লাউ শাক ৪০ টাকা, মুলা শাক ১৫ টাকা, পালং শাক ২০ টাকা, কলমি শাক ১০ টাকা, পুঁই শাক ৪০ টাকা আঁটি দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে। অপরদিকে পেঁয়াজ ১০০-১১০ টাকা, আলু ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বর্তমানে ব্রয়লার মুরগি ১৭০ টাকা, সোনালি মুরগি ২৩০ থেকে ২৪০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৫২০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। এক কুঁড়ি লাল ডিম ২৬০ টাকা, হাঁসের ডিমের কুঁড়ি ৩৪০ টাকা, দেশি মুরগির ডিমের কুঁড়ি ৪৩০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে। গরুর মাংস কেজিপ্রতি ৭৫০ টাকা, খাসির মাংস কেজিপ্রতি ১ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।চালের বাজারে দেখা গেছে, সকল ধরনের চাল বস্তা প্রতি (৫০ কেজি) বেড়েছে ২০০-২৫০ টাকা। মোটা চাল ৫৬ টাকা, মিনিকেট ৭২ টাকা, নাজির ৭৬-৭৮ টাকা, আটাশ চাল ৫৮ টাকা, লাল বোরো চাল ৯০ টাকা, সুগন্ধী চিনিগুড়া পোলার চাল ১৪০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। চিনি ১৪০ টাকা, ৫ লিটার সয়াবিন তেল ৮১০ টাকা, আটা (প্যাকেট) প্রতিকেজি ৬৫ টাকা, মসুর ডাল কেজি ১৪০ টাকা, রসুন ২২০ টাকা এবং আদা ২৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
মাছের ভরা মৌসুমে মধ্যবিত্তদের নাগালের বাইরে। বর্তমানে ৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ মাছের কেজি ৯০০ থেকে ১০০০ টাকা, ৭০০ থেকে ৮০০ গ্রামের মাছ ১২০০ থেকে ১৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। চাষের শিং মাছের কেজি (আকারভেদে) ৩৫০ থেকে ৫০০ টাকা, রুই ও কাতল মাছের দাম কেজিতে বেড়ে (আকারভেদে) ৩৫০ থেকে ৫৫০ টাকা, দেশি মাগুর ৮০০ থেকে এক হাজার ২০০ টাকা, মৃগেল ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, পাঙাশ ২১০ থেকে ২৫০ টাকা, চিংড়ি (ছোট) ৮০০ এবং (বড়) ১ হাজার ৪০০ টাকা, বোয়াল ৫০০ থেকে ৯০০ টাকা, পোয়া ৫০০ টাকা, পাবদা ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, তেলাপিয়া ২২০ টাকা, কই (চাষের) ২২০ থেকে ২৪০ টাকা, মলা ৬০০ টাকা, বাতাসি টেংরা ১ হাজার টাকা, টেংরা ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, কাচকি ৬০০ টাকা, পাঁচমিশালি ৫০০ টাকা, রূপচাঁদা ১ হাজার ২০০ টাকা, বাইম ১ হাজার ২০০ টাকা, শোল ৬০০ থেকে ৯০০ টাকা, আইড় ৬৫০ থেকে ৮০০ টাকা, বেলে ১ হাজার ২০০ টাকা এবং কাইক্ক্যা ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

Facebook Comments Box


এ জাতীয় আরো সংবাদ