নরসিংদীর চড় আড়ালিয়া ইউনিয়নে আধিপত্য বিস্তারে পরাজিত চেয়ারম্যান প্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতা সজীব সরকার বাহিনী তান্ডব চালিয়েছে বিজয়ী চেয়ারম্যান মাসুদা জামানের বাড়িতে। এসময় বাড়ি ঘর লুটপাটসহ উভয় পক্ষের ২০ জন আহত হয়েছেন। এলাকাবাসীর দাবী ঘটনা শুনেও পুলিশ নির্বিকার।
জানাযায়, নির্বাচনী পরবর্তী সহিংসতা রায়পুরা উপজেলার চর আড়ালিয়া বাঘাইকান্দি গ্রামে সাবেক মেম্বার নিক্সন বাহিনীর হামলায় উভয় গ্রুপের ২০ জন আহত হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার খবর পাওয়া গেছে ।
জানা যায় বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান মাসুদা জামান ও তার স্বামী হাসানুজ্জামান সরকারকে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে দাওয়াত দিলে চেয়ারম্যানদয় উপস্থিত হলে পাশাপাশি পরাজিত চেয়ারম্যান সজীব সরকার উপস্থিত হয়ে বর্তমান চেয়ারম্যান ও তার স্বামীকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে এবং একপর্যায়ে কথা কাটাকাটি হয়।
দাওয়াত খেয়ে মাসুদা জামান চেয়ারম্যান বাড়িতে চলে আসার কিছুক্ষণ পর সজীব বাহিনীর সেকেন্ড ইন কামান্ড নিক্সন মেম্বারের নেতৃত্বে দা, লাঠি, টেটা, ককটেল দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হাসান চেয়ারম্যানের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ ভাঙচুর ও একাধিক গুলি বিস্ফোরণ করেন এ সময় ককটেল বিস্ফোরণ করা হলে মুহূর্তের মধ্যে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
বাড়ি ঘরে হামলার প্রতিবাদ করলে উভয় গ্রুপের সংঘর্ষে ২০ জনের মত গুরুতর আহত হন। হাসানুজ্জামান চেয়ারম্যান এর পরিবারের চারজন টেটাবিদ্ধ হন বলে জানা যায় ।
আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়।
ওই সময় গবাদি পশু বাড়িতে থাকা মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে যায়।
নিক্সন মেম্বার বাহিনী এলাকায় অস্ত্রের মহড়া দিচ্ছেন বলে এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়।
এ ব্যাপারে চর আড়ালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদা জামান জানান, আমার বাড়িতে হামলা চালিয়ে লুটপাট ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগ করেন , একাধিক ব্যক্তিকে পিটিয়ে ককটেল মেরে আহত করেন আমি তাদের বিচার চাই।
এ ব্যাপারে নিক্সন মেম্বার সাক্ষাৎকারে বলেন উভয় গ্রুপের হামলা হয়েছে একাধিক আহত হয়েছে। পরাজিত প্রার্থী সজীব সরকারকে ফোন দিলে তিনি ফোন রিসিভ করেনি।
রায়পুরা সার্কেল সহকারী পুলিশ সুপার আফসান-আল-আলম সহকারী পুলিশ সুপার চড় আড়ালিয়ার ঘটনায় মুঠো ফোনে কল করলে তিনি জানান, উভয়পক্ষ আধিপত্য বিস্তার করাকে কেন্দ্র করে এই ঘটনা ঘটেছে তবে এখন এলাকায় পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। মামলা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি জানান ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাথে কথা বলে বিস্তারিত বলা যাবে।
এ বিষয়ে জানতে রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার ০১৩২০-০৯১৪৭৯ (অফিসিয়াল) মুঠো ফোনে একাধিক বার ফোন করা হলেও রিসিভ না হওয়ায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
এ ব্যাপারে এলাকাবাসী অভিযোগ করেন, সংঘর্ষ নিয়ে পুলিশ নির্বিকার। সন্ত্রাসী সজীব বাহিনীর বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নেয়া হচ্ছে না।