শিরোনাম :
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:২৪ পূর্বাহ্ন

সর্ষের ভিতর থেকে ভূত বের করেছে মনোহরদী থানা পুলিশ

মাইনউদ্দিন সরকার / ৪৪৮ বার
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৭ মার্চ, ২০২৫

195

নরসিংদীর পুলিশ সুপার আব্দুল হান্নানের নির্দেশনায় এবার সর্ষের ভিতর থেকে ভূত বের করে এনেছে মনোহরদী থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার দুপুরে পুলিশ সুপারের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের এমনটাই জানিয়েছেন নরসিংদীর পুলিশ সুপার আব্দুল হান্নান।

তিনি জানান,গত ২৪ মার্চ মনোহরদী থানায় একটি ক্লু লেস ডাকাতি মামলা দায়ের করেন, নেসলে বাংলাদেশ পিএলসি কোম্পানীর ডিলার অয়ন কুমার দাস। মামলায় উল্লেখ করেন,মেসার্স অয়ন ট্রেডিং নেসলে বাংলাদেশ পিএলসি কোম্পানীর ডেলিভারীম্যান ১। কিরন হোসেন (২৪),২। মেহেদী মৃদুল (১৯) ও ড্রাইভার ৩। মোঃ পলাশ মিয়া(২৭)গণ মনোহরদী থানার চালাকচর ও লেবুতলা ইউনিয়নের বিভিন্ন দোকানে নেসলে কোম্পানীর মিনি কাভার্ডভ্যান যোগে মালামাল বিক্রয় করে টাকা নিয়ে মনোহরদী আসার পথে লেবুতলা ইউপির গজারিয়া সুইজ গেইটের মাঝখানে পাকা রাস্তার উপর পৌছামাত্র অজ্ঞাতনামা ৭/৮ জন ডাকাত একটি সাদা
রংয়ের মাইক্রোবাস যোগে এসে রাস্তায় বেরিকেড দিয়ে মিনি কাভার্ডভ্যানের গতিরোধ করে, চাইনিজ কুড়াল, চাপাতি ও অন্যান্য দেশী অস্ত্রসস্ত্র দিয়ে মিনি কাভার্ডভ্যান ভাংচুর করে নগদ দুই লক্ষ আটত্রিশ হাজার সাতশত টাকা ও ৩টি মোবাইল নিয়ে যায়।
পরে পুলিশ সুপার আব্দুল হান্নান এর দক্ষ নির্দেশনায় শিবপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার রায়হান সরকারের নেতৃত্বে মনোহরদী থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল জব্বার অভিযান চালিয়ে,পরিকল্পিত সাজানো ডাকাতি নাটকের ২জন ডেলিভারীম্যান ও ১জন ড্রাইভারকে আটক করে, নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করেন।
পুলিশ সুপার সাংবাদিকদের আরো জানান,গত ২৫ মার্চ মনোহরদীর থানার চর মান্দালিয়ার আব্দুল আলীর ভুট্টা ক্ষেতে মানসিক ভারসাম্যহীন নারীকে সুমন মিয়া (৪২) জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। সংবাদ পেয়ে মনোহরদী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ভিকটিমকে শারীরিকভাবে অসুস্থ দেখে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায়
মনোহরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। পরবতীর্তে ভিকটিমের বড় বোন মৌসুমী আক্তার অভিযোগ দাখিল করলে থানায় নিয়মিত মামলা রুজু করেন। মনোহরদী থানা পুলিশ বুধবার রাতে অভিযুক্ত সুমন মিয়াকে গ্রেফতার করেন। গ্রেফতাকৃত সুমন মিয়া মনোহরদীর চরমান্দালিয়ার জয়নাল মিয়ার ছেলে।
সংবাদ সম্মেলন শেষে পুলিশ সুপার আব্দুল হান্নান গত ২ মাসে নরসিংদীর বিভিন্ন থানার জিডিমুলে হারানো ২৪০ টি মোবাইল উদ্ধার করে, মোবাইলের সঠিক মালিকদের হাতে তুলে দেন।

Facebook Comments Box


এ জাতীয় আরো সংবাদ