শিরোনাম :
পুলিশ-বিএনপি নেতাদের উপস্থিতিতে ধর্ষণ ঘটনায় সালিশ ॥ ক্ষোভে কিশোরীর গলায় ফাঁস দেশব্যাপী ধর্ষণের ঘটনায় সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের উদ্বেগ : দ্রুত বিচার ও আইন সংস্কারের দাবি। নরসিংদীতে বিএনপির প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত নরসিংদীতে সদর প্রেসক্লাবের বৈশাখী পুনর্মিলন সাংবাদিকদের প্রধান দায়িত্ব সত্য উদঘাটন করা : জেলা প্রশাসক,নরসিংদী। নরসিংদীতে সফলভাবে সম্পন্ন হলো জিরো অলিম্পিয়াড ক্যাম্পেইন বানিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমানের মৃত্যু : চেতনা পরিবারের শোক নরসিংদীতে রোগীর সাথে চিকিৎসকের অশালীন আচরণের প্রতিবাদ জানিয়েছেন নারী নির্যাতন প্রতিরোধ ফোরাম বদলী আদেশে তোলপাড় নরসিংদী জেলা প্রশাসন নরসিংদী জেলা প্রেসক্লাবের কমিটি গঠিত : আউয়াল সভাপতি, সজল সম্পাদক
সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১:১৯ পূর্বাহ্ন

নরসিংদীতে লুটপাটের মালামাল উদ্ধার

স্টাফ রিপোর্টার / ৬৮৫ বার
আপডেট : মঙ্গলবার, ২২ আগস্ট, ২০২৩

119

নরসিংদী সদর উপজেলা আলোকবালী ইউনিয়নের খোদাদিলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামীলীগ নেতার দোকান থেকে লুটপাট হওয়া মালামাল উদ্ধার করেছে পুলিশ। খোদাদিলা গ্রাম থেকে সোমবার রাতে অভিযান চালিয়ে মালামাল গুলো উদ্ধার করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আলোকবালী ইউনিয়ন পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. ইউসুফ আলী।
জানা যায়, আলোকবালী ইউনিয়ন শাখার ২ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি হাজী হাসান আলী ও যুবলীগ কর্মী জাকির হোসেন গ্রুপের সাথে একই ইউনিয়নের বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক জয়নাল আবেদিনের সাথে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘ দিনের বিরোধ রয়েছে।
পুলিশ সুত্রে জানা যায়, জাকির হোসেন ও জয়নাল আবেদিনের বিরুদ্ধে থানায় একাধিক অস্ত্র আইনে মামলা রয়েছে।
বিরোধের জেরে, গত ২০ জুলাই উভয় গ্রুপের মধ্যে দ্বন্দ্ব হলে হাজী হাসান আলী ও জাকির হোসেনের গ্রুপটি এলাকা ছাড়া হয়ে পড়ে। এ ঘটনার ধারাবাহিকতায় গত শনিবার (২০ আগস্ট) দিনগত রাতে হাজী হাসান আলীর নেতৃত্বে তার লোকজন গ্রামে আবারও প্রবেশ করছে এমন অভিযোগে ওই এলাকার মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে জয়নাল আবেদিনের লোকজন জড়ো হয়। পরে, হাসান আলীর দোকানে লুটপাট করে ও একই এলাকার হালিমা আক্তারের বাড়ীতে আগুন দেয়া হয়। তবে, ঘটনায় হাসান আলী থানায় অভিযোগ করলেও হালিমা বেগম কোনো অভিযোগ করেন নি।
ওই ঘটনায় পুলিশ সন্দেহভাজন হিসেবে ৫ জনকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করে। পরে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ না থাকায় তাদেরকে ছেড়ে দেয়া হয়।
আলোকবালী ইউনিয়ন পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ ইউসুফ আলী বলেন, “ভুক্তভোগী হাজী হাসান আলীর অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা অভিযান চালিয়ে খোয়ানো জিনিসপত্র উদ্ধার করেছি। এগুলো আমাদের কাছে জব্দ আছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে হস্তান্তর করা হবে। তাছাড়াও, কিছু টেটাও উদ্ধার করা হয়েছে।”
এর আগে, গত ১৯ জুলাই, উভয় পক্ষের সংঘর্ষ হয় এবং উভয় গ্রুপের আটজন গুলি ও টেটাবিদ্ধ হয়ে আহত হয়। এ ছাড়াও পুলিশ ৮ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ এবং পাশাপাশি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করে পুলিশ।

Facebook Comments Box


এ জাতীয় আরো সংবাদ