শিরোনাম :
অসুস্থ আজহারুন্নেছা : দোয়া চেয়েছেন পরিবারের সদস্যরা নরসিংদীতে জাল দলিলে জমি দখলের অভিযোগ: আদালতে মামলা ক্যাশলেস বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে সোনালী ব্যাংকের ক্যাম্পেইন নরসিংদী জেলা প্রশাসকের উদাসীনতা : যে কোনো সময় ঘটতে পারে দূর্ঘটনা একজন আবদুল মান্নান ভূঁইয়া…….. নরসিংদীতে হাসপাতালে র‍্যাবের অভিযান ১২ দালাল আটক সরকারী প্রত্যেকটি দপ্তরে হয়রানী মুক্ত সেবা নিশ্চিত করতে হবে : নরসিংদী জেলা প্রশাসক শিক্ষার মান বজায় রেখে সঠিক মানুষ গড়ার কারখানা ইনডিপেনডেন্ট কলেজ : মনজুর এলাহী, এমপি মেঘনা গ্রুপের রাক্ষসী থাবা ২ : লীজ প্রাপ্ত না হয়েই মাটি ভরাট আমার বন্ধু মহাজাদু জানে…..
মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৪৭ অপরাহ্ন

নরসিংদীতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন

প্রতিনিধির নাম / ৫৬৮ বার
আপডেট : রবিবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

166

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আব্দুস সামাদের অনতিবিলম্বে অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন করেছে নরসিংদী সদর উপজেলা শিক্ষা পরিবার। রোববার (৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় সদর উপজেলা চত্ত্বরে এ মানববন্ধন করা হয়।

তাদের অভিযোগ, স্বৈরাচার আমলে নিয়োগপ্রাপ্ত প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে মহাপরিচালক মো. আব্দুস সামাদ যোগদানের পর থেকেই কর্তৃত্ববাদী আচরণ ও বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে অধিদপ্তরের সম্মানহানি হচ্ছে। তার ইচ্ছেমতো সিদ্ধান্তের কারণে সারাদেশের কর্মকর্তা, কর্মচারী, প্রশিক্ষক-প্রশিক্ষণার্থী কষ্ট পাচ্ছেন। যোগ্যতা থাকা সত্বেও অনেকের পদোন্নতি হয়নি। অযোগ্যদের প্রধান শিক্ষকের চেয়ারে বসিয়ে রেখেছেন। শ্রম আইন লঙ্ঘন করে প্রতিটি সেক্টরের জনবলকে ইচ্ছেমতো সকাল-সন্ধ্যা কাজে খাটানোসহ বৈষম্য সৃষ্টি করেছেন প্রশিক্ষণ ভাতায়।

মানববন্ধনে তারা অভিযোগ করে বলেন, স্বজনপ্রীতির কারণে ডিজি মো. আব্দুস সামাদ আওয়ামীপন্থী কর্মকর্তাদের পছন্দের জায়গা ও বিভাগে পদায়ন করেছেন। অন্যদিকে রাজনৈতিক পরিচয় চিহ্নিত করে সরকারবিরোধী তকমা লাগিয়ে ত্যাগী মেধাবী ও যোগ্য কর্মকর্তাদের কোণঠাসা করেছেন ।

আমরা সকল বৈষম্যের অবসান চাই। নন ক্যাডার অনভিজ্ঞ প্রধান শিক্ষক নিয়োগ বন্ধ করতে হবে। বিটিপিটি এর ভাতা বাড়াতে হবে। কথায় কথায় মামলার হুমকি বন্ধ করতে হবে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শিক্ষকবান্ধব নয়। তিনি অযোগ্য ব্যক্তিদের গুরুত্বপূর্ণ পদে বসিয়েছেন। নিয়োগপ্রাপ্ত নয় এমন অনেকে রয়েছে। শ্রম আইন লঙ্ঘন করে নিদির্ষ্ট সময়ের বাইরে গিয়েও প্রশিক্ষকদের রাত-দিন কাজ করতে হয়। এরপরও যে প্রশিক্ষক ভাতা দেয়া হয় তা যথেষ্ট নয়। আমাদেরকে সবকিছু থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। ১৮ বছর ধরে পদোন্নতি নেই। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর দুর্নীতিতে ভরে গেছে মহাপরিচালকের কারণে। আমরা মহাপরিচালক মো. আব্দুস সামাদের অপকর্ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে মাঠে নেমেছি। দেশ ও জাতির স্বার্থে তাকে অনতিবিলম্বে অপসারণ করতে হবে বলে জানান মানববন্ধনকারীরা

Facebook Comments Box


এ জাতীয় আরো সংবাদ