শিরোনাম :
সরকারী প্রত্যেকটি দপ্তরে হয়রানী মুক্ত সেবা নিশ্চিত করতে হবে : নরসিংদী জেলা প্রশাসক শিক্ষার মান বজায় রেখে সঠিক মানুষ গড়ার কারখানা ইনডিপেনডেন্ট কলেজ : মনজুর এলাহী, এমপি মেঘনা গ্রুপের রাক্ষসী থাবা ২ : লীজ প্রাপ্ত না হয়েই মাটি ভরাট আমার বন্ধু মহাজাদু জানে….. নরসিংদীতে অনুমোদনহীন মোটরসাইকেল সংযোজন কারখানা : সরকারের রাজস্ব ক্ষতির আশঙ্কা কৃষক ও গ্রামীণ অর্থনীতি বদলে দিতে পলাশে ‘পার্টনার’ কংগ্রেস অনুষ্ঠিত মেঘনা গ্রুপের রাক্ষুসী থাবা ১ : অবৈধভাবে খাল ভরাট প্রশাসন নিরব আদ-দ্বীন হাসপাতালের মগবাজার ছাড়া অন্য শাখা চলতে বাধা নেই : স্বাস্থ্যমন্ত্রী নরসিংদীতে ক্লু লেস হত্যা মামলার আসামি গ্রেফতার এমনই বাজেট চাই ———————–
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪৩ পূর্বাহ্ন

মেঘনা গ্রুপের রাক্ষুসী থাবা ১ : অবৈধভাবে খাল ভরাট প্রশাসন নিরব

মাইনউদ্দিন সরকার / ১৯০ বার
আপডেট : বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬

234

রায়পুরা উপজেলায় মালিকানা ফসলি জমি,অকৃষি সরকারি খাস জমি জোরপূর্বক অবৈধভাবে মাটি ভরাট করে দখল করে নিয়েছে মেঘনা গ্রুপ। মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের রাক্ষসী থাবা থেকে বাদ যায়নি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হাতে খনন করা সাহার খোলা খালও। যার কারনে মৃতপ্রায় কাকন নদী। এতে করে শতাধিক জেলে পরিবারের জীবিকা নির্বাহ বন্ধসহ সহস্রাধিক একর জমিতে কৃষি কাজ ব্যাহত হচ্ছে| রায়পুরা শহরের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া কাঁকন নদীটি মাহমুদপুর, ও চর বাখরনগর মৌজায় সংমিশ্রণ রায়পুরা মৌজায় ৫৭৬৪ নং ও বাখরনগর মৌজায় ৬৩৪ নং দাগে কাঁকন নদীটি সাহারখোলা গ্রাম সংলগ্ন শেষ হয়|

পরে ১৯৮১ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান খাল খনন কর্মসূচির মাধ্যমে চর বাখরনগর মৌজার আরএস ১০,১৮,১৯ ও ২০ নং দাগসহ আরো কিছু দাগের খাস জমিতে প্রায় দুই কিলোমিটার খাল খনন করে মেঘনা নদীর সাথে সংযুক্ত করে দেন। প্রানবন্ত হয়ে উঠে কাঁকন নদী। কাঁকন নদী দিয়ে রায়পুরার সাথে পূর্বাঞ্চলসহ ভৈরবের নৌ যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজতর ও সময় সাশ্রয়ী হয়ে উঠে।
পরবর্তীতে কাঁকন নদী থেকে ৩ টি স্লুইসগেট নির্মাণ করে পার্শ্ববর্তী গ্রামের সহস্রাধিক একর জমিতে কৃষি কাজ পরিচালিত হয়েছে। কাঁকন নদীর তীরবর্তী পাগলনাথ মন্দির ঘাটে প্রতি বছর হিন্দু সম্প্রদায়ের পূণ্যস্নান অনুষ্ঠিত হতো। সারাদেশ থেকে হাজার হাজার লোক আসতো পূন্যস্নান করতে। এসময় আশেপাশের ছোট খাটো ব্যবসায়ীদের ব্যবসা হতো জমজমাট। বৈকুন্ঠপুর গ্রামের শতাধিক জেলে পরিবারের একমাত্র আয়ের উৎস হয়ে উঠে কাঁকন নদী।

২০২০ সালে কাঁকন নদীর পার্শ্ববর্তী খাস জমিতে লোলুপ দৃষ্টি পড়ে মেঘনা গ্রুপের। চর বাখরনগর মৌজার ৫৮ টি দাগে ১০.৩০ একর খাস জমি লীজের জন্য আবেদন করেন। আবেদন করেই লীজপ্রাপ্ত না হয়ে বিগত ফ্যাসিষ্ট আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী মোজাম্মেল বাবু মেঘনা গ্রুপের অংশীদার হওয়ার প্রভাবে সাহারখোলা খালসহ খাস জমি ও পার্শ্ববর্তী ব্যক্তি মালিকানার কৃষি জমিসহ ৩২.২০ একর জমিতে জোরপূর্বক অবৈধভাবে মাটি ভরাট শুরু করেন। তখম জমি মালিকসহ এলাকাবাসী বাধা প্রদান ও মানববন্ধন করে প্রশাসনের নিকট স্মারকলিপি প্রদান করেন। কিন্তু উপজেলা ও জেলা প্রশাসন অদৃশ্য কারনে নিরব হয়ে যায়। পরবর্তী সময়ে কিছু কিছু জমি মালিককে নামমাত্র মুল্যে দলিল করে দিতে বাধ্য করেন।
বর্তমানেও বেশকিছু জমি জবরদখল আছে। কৃষকরা একা জমিতে যেতে পারেন না। সবসময়ই কোম্পানির ক্যাডার বাহিনী অবস্থান করেন।
(চলবে)

Facebook Comments Box


এ জাতীয় আরো সংবাদ