করিমপুর নৌ পুলিশ ফাড়ীঁর ইনচার্জ এসএম মাকসুদকে ম্যানেজ করে নরসিংদীর মেঘনা নদীর অববাহিকা হাড়িধোয়া,আড়িয়ালখাঁ নদীতে অবাধে চলছে ইলেকট্রিক শক,অবৈধ চায়না চাই জাল ও কারেন্ট জাল দিয়ে মাছ শিকার। যেসব জেলে এসএম মাকসুদকে ম্যানেজ করতে মাসোহারা দিতে রাজী হয়না, তারা নদী থেকে মাছ ধরতে পারেনা বলে অভিযোগ রয়েছে। মাসোহারা ছাড়া নদীতে মাছ ধরতে গেলেই অভিযানের নামে নৌকা ও জাল ধরে নিয়ে যায়।
এছাড়াও বাল্কহেড মালিক, নৌযান কেন্দ্রিক গড়ে ওঠা চোরাকারবারি চক্র ও নদী থেকে বালু উত্তোলনকারী ড্রেজার এবং অবৈধভাবে ইলেকট্রিক শক ও চায়না ম্যাজিক জাল দিয়ে মাছ শিকারীদের থেকে নির্ধারিত হারে মাসিক চাঁদা আদায় করার অভিযোগ উঠেছে করিমপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ীর ইনচার্জ এমএম মাকসুদ এর বিরুদ্ধে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে জেলেরা জানান, আমরা পুলিশের বিরুদ্ধে কথা বলতে পারিনা। এখনতো তাদের অগোচরে মাছ ধরতে পারি, যদি জানতে পারে আমরা পুলিশের বিরুদ্ধে কথা বলেছি, তাহলে বাড়ী থেকে ধরে নিয়ে আসবে। এখন নদীতে দেখেন হাতে গোনা দু’একজন জেলে মাছ ধরছি,কিন্তু সকালে বাজারে গেলে দেখবেন ইলেকট্রিক শকের মরা মাছ বাজার ভর্তি।
একজন বাল্কহেড ব্যবসায়ী জানান,এখন নরসিংদীতে কোন বালু মহাল নেই, কিন্তু আমরা বি-বাড়ীয়া ও চাদপুর থেকে বালু ভরাট করে আনলেও করিমপুর নৌ পুলিশ ফাড়ীকে বখশিস দিতে হয়। নইলে নদীতে চলাচলে ব্যঘাত ঘটায়।
নৌপথে ডিউটির নামে সরকারি তেল আত্মসাৎ অভিযোগ রয়েছে। সরকারী বরাদ্ধকৃত জ্বালানী ব্যবহার না করে বিক্রি করে বাটোয়ারা করে নেন। ইনচার্জ বাসায় শুয়ে থেকে নদীতে ডিউটি দেখায়।
এ বিষয়ে কথা বলতে করিমপুর নৌ পুলিশ ফাড়ীঁতে গিয়ে দেখা যায়, ইনচার্জ এস এম মাকসুদ ফাড়ীতে নেই। মুঠোফোনে ফোন দিলে, তিনি জানান নদীতে অভিযানে আছেন। কিন্তু ফাড়ীঁর ট্রলার ঘাটে বাধা অবস্থায় দেখা যাচ্ছে জানালে, সে বলে সরি ভাই এইমাত্র বাসায় আসলাম। এখন জরুরী কাজে নরসিংদী যেতে হবে। অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে, তিনি জেলেদের নাম জানতে চেয়ে বলেন সম্পুর্ণ মিথ্যা। আমি জেলা প্রশাসন ও মৎস অধিদপ্তবকে সঙ্গে নিয়ে অভিযান চালিয়েছি।
জেলা প্রশাসন ও মৎস অধিদপ্তরের যৌথ অভিযান ছাড়া নৌ পুলিশের কোন সাফল্য নেই কেন জানতে চাইলে, তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান।
সম্পাদক: এবিএম আজরাফ টিপু,
মোবাইল : ০১৯১৩-৬৫১০৫৭
ইমেইল : chatona.tv@gmail.com
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: টাউয়াদী, নরসিংদী-১৬০২