
পলাশ উপজেলার কাঠালিয়া পাড়া ও কাউয়াদি এলাকায় চলে জমজমাট মাদক ব্যবসা। এসব মাদক ব্যবসায়ীদের মদদ দিচ্ছেন উপজেলা বিএনপির এক নেতা।
অনুসন্ধানে জানাযায়, কাঠালিয়া পাড়ার খোরশেদ মিয়ার ছেলে ইব্রাহিম ও কাউয়াদি গ্রামের সোনালীর ছেলে সোহেল মিয়ার ইয়াবা, মদ ও গাঁজা ব্যবসা যেন ওপেন সিক্রেট। তাদের মাদক ব্যবসায় মদদ দিচ্ছেন উপজেলা বিএনপির এক নেতা। তাই তাদের বিরুদ্ধে কেউ কথা বলার সাহস পায়না।
কাঠালিয়া পাড়া গ্রামের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন অভিভাবক বলেন, এলাকায় মাদকের ডিলার ইব্রাহিম। তার ছত্রছায়ায় কিছু মাদক ব্যবসায়ী প্রকাশ্যে মাদক বিক্রি করে, কিন্তু দলীয় প্রভাব থাকায় সাধারণ মানুষ কিছু বলতে সাহস পায়না। এতে করে এলাকার উঠতি বয়সের কিশোর ও যুবকরা বিভিন্ন নেশায় আসক্ত হয়ে পড়ছে। আমরা আমাদের সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে উৎকন্ঠায় থাকি।
কাউয়াদি গ্রামের একজন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সোহেল ও ইব্রাহিম মাদকের ডিলার এটা আমাদের এলাকায় ওপেন সিক্রেট। তাদের শেল্টার দেয় বিএনপি নেতা। তাদের বিরুদ্ধে কোন কথা বলে আমরা বিপদে পড়তে চাইনা।
মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত বিষয়ে জানতে ইব্রাহিম ও সোহেলের ব্যবহৃত মোবাইলে ফোন দিলে, সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে ফোন কেটে দেন। পরবর্তীতে একাধিকবার ফোন দিলেও রিসিভ করেন নি। এর কিছুক্ষণ পরই ০১৮৪৬৪১৯৫৮৯ নাম্বার থেকে সাইদুল নাম পরিচয়ে প্রতিবেদকের ফোনে কল দিয়ে, নিজেকে উপজেলা বিএনপির নেতা দাবী করে বলেন, ইব্রাহিম ও সোহেল আমাদের দলীয়কর্মী। দলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে তারা দলকে সহযোগিতা করে থাকে। তারা কোন মাদক ব্যবসায়ী না। আপনি পলাশে আসলে আমার সাথে দেখা করবেন, আপনাকে খুশি করবো।
আপনার দলীয় পদ কি এবং দলীয় প্রভাবে মাদক ব্যবসায়ীকে মদদ দেয়া কি দল সাপোর্ট করে? জানতে চাইলে তিনি ও ফোন কেটে দেন।
উপরোক্ত মোবাইল নাম্বার ব্যবহারকারীর কোন দলীয়পদ আছে কিনা জানতে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর সাইফুল ইসলাম ও যুগ্ম সম্পাদক বাহাউদ্দীন মিল্টনকে একাধিকবার ফোন দিলেও তারা রিসিভ করেন নি।
সম্পাদক: এবিএম আজরাফ টিপু,
মোবাইল : ০১৯১৩-৬৫১০৫৭
ইমেইল : chatona.tv@gmail.com
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: টাউয়াদী, নরসিংদী-১৬০২