শিরোনাম :
বিদেশিদের কথায় বিএনপি আন্দোলন করে না : ড. মঈন খান নরসিংদীতে আনোয়ার গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের হালখাতা অনুষ্ঠিত  রেলওয়ের টিকিটে ডিজিটাল প্রতারণা! আয়ূবপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুস সাত্তার আর নেই রাঁতের আাধারেই ক্রীড়া সংস্থার কমিটি গঠিত।। হতাশ নরসিংদীর ক্রীড়ামোদীরা রজবেন্নেছা আমজাদ স্মৃতি পাঠাগারে শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত পবিত্র শবেবরাত আজ শিবপুরে আইডিয়েল কে.জি এন্ড হাই স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ রায়পুরা উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি হারুনূর রশিদের বড় বোনের ইন্তেকাল নরসিংদীতে বাস-কাভার্ডভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২
শনিবার, ০২ মার্চ ২০২৪, ০৫:২৪ পূর্বাহ্ন

মাধবদী মেয়র মানিকের রাম রাজত্ব-৪ : সোনার বাংলা মার্কেটে নিরব চাঁদাবাজী

মাইনউদ্দিন সরকার : / ৩২২ বার
আপডেট : বুধবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৩

মাধবদী পৌরসভার মেয়র মোশারফ হোসেন মানিকের রাম রাজত্ব নিয়ে আজকের চেতনা পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর ুথেকে মাধবদীর সাধারণ মানুষের মাঝে সাহস সঞ্চার হয়েছে। নাম প্রকাশ না করার অনুরোধ জানিয়ে মেয়র মানিকের রাম রাজত্বের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে শুরু করেছেন অনেকেই। মেয়র মানিকের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজী,দখলবাজী ও ক্ষমতার অপব্যবহারসহ নানা অনিয়মের অভিযোগের পাহাড় জমা হয়েছে আজকের চেতনা পত্রিকা কার্যালয়ে। পর্যায়ক্রমে মেয়র মানিকের সকল অপকর্ম জনসম্মুখে তুলে ধরা হবে। সোনার বাংলা মার্কেটের ব্যবসায়ীদের কাছে নিরব চাঁদাবাজী নিয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদনের পুর্ব প্রকাশিত অংশের পর ৪র্থ কিস্তি ছাপা হলো আজকে।
যে ভাবে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিয়েছেন প্রায় ৩ কোটি টাকা : সভাপতি হওয়ার পর সোনার বাংলা সমবায় মার্কেটের ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন হুমকি ও দোকানঘর ভাংচুরের ভয় দেখিয়ে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিয়েছেন প্রায় ৩ কোটি টাকা। ব্যবসায়ীদের লিখিত অভিযোগে জানাযায়, ২০২২ সালের ১ জুলাই তারিখে মেয়র মানিক কমিটির অন্যান্য সদস্যদের সাথে যোগসাজস করে প্রত্যেক ভিটি মালিককে হুমকি ও ভয়-ভীতি দেখিয়ে বিনা নোটিশে রশিদ বিহীন এক হাজার দোকান মালিকের কাছ থেকে ৩০ হাজার ও কিছু মালিকের কাছ থেকে ২৫ হাজার টাকা করে আদায় করে, হাতিয়ে নিয়েছেন প্রায় ৩ কোটি টাকা।
নতুন রাস্তা করার অজুহাতে হাতিয়ে নিয়েছেন আরো কোটি টাকা : মেয়র মানিক প্রভাব খাটিয়ে সোনার বাংলা সমবায় মার্কেটের ভিতর ও বাহির অংশে নতুন রাস্তা করার অজুহাতে বিনা নোটিশে ২৫ টি দোকান ও ২০ টি পাকা ল্যাট্রিন ভেঙ্গে ফেলেন। পরে সেখানে পুনরায় ২৩ টি দোকান নির্মাণ করে, ভিন্ন ভিন্ন ১০ জন লোকের কাছে ১০ টি দোকানের পজিশন হস্তান্তর করেন। প্রতিটি দোকান থেকে ১০ লক্ষ টাকা করে গ্রহন করে, সমিতিতে নাম মাত্র কিছু টাকা জমা করেন। বাকি টাকা মেয়র ও তার সহযোগীরা পকেটস্ত করে
আত্মসাৎ করেছেন বলেও অভিযোগ করেছেন ব্যবসায়ীরা।
ব্যবসায়ীর দোকানে তালা মেরে ১৮ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবীর অভিযোগ : মেয়র মানিক তার সন্ত্রাসী বাহীনি দিয়ে আ: বারেক মোল্লা নামে এক ব্যবসায়ীর তিনটি দোকানে তালা মেরে ১৮ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করেন। পরে আ: বারেক মোল্লার কাছ থেকে জোর পুর্বক ৫ লক্ষ টাকা আদায় করে, বাকী ১৩ লক্ষ টাকা আস্তে আস্তে প্রদানের আশ^াসে দোকানের তালা খুলে দেন।
গত মে মাসের প্রথমদিকে সোনার বাংলা মার্কেটের প্রত্যেক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে দোকান প্রতি ১৫ লক্ষ টাকা করে চাঁদা দাবী করেন। অন্যথায় ভেকো দিয়ে দোকান ভেঙ্গে ফেলার হুমকি প্রদান করেছেন বলেও অভিযোগ করেছেন ব্যবসায়ীরা। মেয়র মোশারফ হোসেন মানিকের বিরুদ্ধে আরো কিছু অভিযোগের সত্যতা যাচাই-বাছাই করছেন চেতনা অনুসন্ধানী দল। যেগুলো প্রকাশিত হবে পরবর্তী সংখ্যায়……………।

Facebook Comments Box


এ জাতীয় আরো সংবাদ